বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকার উত্তরে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ১১.৩৯ একর জমিতে ১৯৯২ সালে ৩৭নং আইন অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এর লক্ষ্য ছিলো বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলির (ঢাকা,চট্টগ্রাম,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) উপর থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণেচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের অত্যধিক চাপ লাঘব করা এবং একইসাথে অধিভুক্ত কলেজগুলির মান উন্নয়ন। বাংলাদেশের সকল জেলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত অসংখ্য কলেজ রয়েছে। চলুন জেনে আসা যাক কোন কলেজের কোন বিষয়ের আসন সংখ্যা কত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধিনে কোন কলেজের বিষয় ভিত্তিক আসন সংখ্যা কত জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

বিঃদ্রঃ আসন সংখ্যার তালিকাটি বিগত (২০১৯-২০) শিক্ষাবর্ষের তথ্য অনুসারে করা। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে আসনসংখ্যা কিছুটা কম বেশী হতে পারে।

উপরের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করলে সেখানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত বিভিন্ন কলেজের বিষয় ভিত্তিক আসন সংখ্যা জানতে পারবেন। সেখানে বিভাগ ভিত্তিক (Division Wise) ঐ বিভাগের সকল কলেজের আসন সংখ্যা রয়েছে। আপনার কলেজের আসন সংখ্যা সহজে খুঁজে পেতে ফাইলটি Open করে Keyboard থেকে CTRL+F চেপে আপনার কলেজের Code অথবা কলেজের নাম লিখে (বিজয় ফরম্যাটে) সার্চ দিন।

অনুসরণ করলে আশা করি খুব সহজেই আপনার কাঙ্খিত কলেজের আসন সংখ্যা জেনে নিতে পারবেন। তারপরেও যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে নিচের কমেন্ট বক্স এ আপনার কাঙ্খিত কলেজের নাম ও কোন বিষয়ের আসন সংখ্যা জানতে চান তা লিখে কমেন্ট করুন। আমি যত দ্রুত সম্ভব আপনার কাঙ্খিত আসন সংখ্যা রিপ্লাই করে জানিয়ে দেব। 

রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের 23/০9/২০১9  তারিখের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, এ ভর্তি কার্যক্রমের ক্লাস 01\10\ ২০১9 তারিখ থেকে শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়/অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কোন শিক্ষা কার্যক্রমে বর্তমানে অধ্যয়নরত কোন শিক্ষার্থী ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স প্রফেশনাল প্রোগ্রামের কোন কোর্সে ভর্তি হতে পারবে না। একই অথবা দুটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে কোন প্রার্থী দ্বৈত ভর্তি হলে তার উভয় ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *